নেতা যে রাতে নিহত হলেন – ইমদাদুল হক মিলন। Neta Je Rate Nihoto Holen ( Imdadul Haq Milan )
Book Review

নেতা যে রাতে নিহত হলেন (ইমদাদুল হক মিলন) pdf book
নেতা যে রাতে নিহত হলেন – ইমদাদুল হক মিলন। Neta Je Rate Nihoto Holen ( Imdadul Haq Milan ) বই পরিচিতি
প্রকাশক – কথাপ্রকাশ
বইটির দাম – ২৫০টাকা
পৃষ্ঠা সংখ্যা – ১৬০
চরিত্র বিশ্লেষন – দুজন পুলিশ, একজন পুলিশ অফিসার, নেতা, রতন মাঝি।
নেতা যে রাতে নিহত হলেন – ইমদাদুল হক মিলন। Neta Je Rate Nihoto Holen ( Imdadul Haq Milan ) বই সারসংক্ষেপ
একটি লোককে দুজন পুলিশ ধরে তাদের স্যারের কাছে নিয়ে এসে বলে এই লোকটিকে সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। অফিসার কারন জানতে চাইলে পুলিশ দুজন বলে নেতার বাড়ির সামনে ঘোরাঘুরি করছিল। অফিসার লোকটির নাম জানতে চাইলে তিনি বলেন তার নাম রতন মাঝি। যে দুজন পুলিশ ছিল তাদের একজনের স্বভাব আবার বেশি কথা বলার।
পুলিশ অফিসার যখন রতনকে প্রশ্ন করলো কি করে সে? তখন পুলিশ বললো তার নামের শেষে মাঝি আছে তাইলে সে মাঝিই হবে। তখন রতন বলে সে মাঝি না। তার বাপ-দাদা মাঝি ছিল তাই পদবি থেকে হয়েছে মাঝি। কিন্তু সে আসলে একজন চাষী। তার নিজের কোনো জমি নেই, অন্যের জমি আধা ভাগে চাষ করে রতন।
( নেতা যে রাতে নিহত হলেন – ইমদাদুল হক মিলন )
পুলিশ অফিসার রতনের থেকে তার বাড়ি কোথায় জানতে চাইলে সে বলে, পদ্মার ওপারে তিন থেকে চার ঘন্টা হেটে যেতে হয়। গ্রামের নাম উদয়পুর। অফিসার এবার রতনকে জিজ্ঞেস করে শহরে আগে এসেছে কি না? এখন কি করতে এসেছে? রতন উত্তরে বলে সে আগে শহরে আসে নি, এবার প্রথম এসেছে। আর সে এসেছে নেতাকে দেখতে।
একথা শুনে অফিসার বলে নেতা কি তোমাকে চিনে? না তুমজ নেতাকে চিনো, যে দেখতে এসেছো? তখন রতন বলে নেতাকে কে না চিনে! সবাই চিনে তাকে। আর নেতা আমার মুখ দেখলে ঠিকি চিনবে, কারন আমিও তো এই দেশেই থাকি এই দেশের মানুষ।
তারপর রতন বলে এখন রাত হয়ে গেছে তাই কাল সকালে নেতা বাইরে এলে তাকে দেখবো। তাই রাস্তায় বসে ছিলাম। তার জন্য চিড়ে নিয়ে এসেছে সে। তার নিজের চাষ করা চিড়া।
সব কথা শুনে অফিসার রতনকে বলে সে মিথ্যা কথা বলছে। তার মত এত গরিব একজন, কোনো কারন ছাড়াই নেতা কে কেনো দেখতে আসবে? অফিসার বলে নিশ্চয় অন্য কোনো মতলব আছে। কথাগুলো শুনে রতন একেবারেই চুপ হয়ে যায়।
( নেতা যে রাতে নিহত হলেন – ইমদাদুল হক মিলন )
রতন বার বার বলে তার অন্য কোনো মতলব নেই। সে শুধু একনজর নেতা কে দেখতেই এসেছে। আর তাদের মত গরিবরাই নেতাদেরকে বেশি ভালোবাসে।
অফিসার পুলিশ দুজনকে রতনের চিড়ার পোটলাটা খুলে দেখতে বলে। পোটলাটা খোলার সাথে সাথে সারা থানায় চিড়াত মৌ মৌ গন্ধে ভরে যায়। অফিসার তখন বলে এই চিড়া ল্যাব টেস্টে পাঠাও, আর রতনকে হাজতে ঢুকাও।
সারারাত কাটার পরে সকালে সেই পুলিশ দুজন এসে রতনকে হাজত থেকে বের করে পুলিশ অফিসারের কাছে নিয়ে গেল। সেই পুলিশ অফিসার টাকে খুব দুঃখি দেখালো। অফিসার রতনকে বলে তোমার উপর আমরা অবিচার করেছি। তুমি বাড়ি ফিরে যাও।
অফিসার আরোও বলেন আমরা খবর পেয়েছি কালরাতে নেতাকে নিহত করা হয়েছে। তার ঘনিষ্ঠ লোকজন তারা ষড়যন্ত্র করে নেতাকে নিহত করেছে।
( নেতা যে রাতে নিহত হলেন – ইমদাদুল হক মিলন )
রতন দেখে দুজন পুলিশ তাদের প্যান্টের পকেট থেকে চিড়া বের করছে আর খাচ্ছে। এই চিড়া সে নেতার জন্য এনেছিল।
রতন পুলিশ অফিসারকে বলে তাকে ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে না, তাকে হাজতেই বন্ধি করে রাখতে। কারন সে ছাড়া পেলে নেতার হত্যার প্রতিশোধ নিবে।
Bangla Book Review
এই বইটির অডিও গল্প শুনতে চাইলে Dishas Storyplate